Home / রাজনীতি / স্কুল জীবন থেকে যুবদলের কেন্দ্র: রাজপথের লড়াকু নেতা মনিরুল ইসলাম সোহাগের গল্প

স্কুল জীবন থেকে যুবদলের কেন্দ্র: রাজপথের লড়াকু নেতা মনিরুল ইসলাম সোহাগের গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সদ্য ঘোষিত কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৩নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা, পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ। গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে ঘোষিত নবনির্বাচিত যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়।
​রাজপথের লড়াকু ও ত্যাগী এই যুবনেতার নতুন দায়িত্ব প্রাপ্তিতে দলটির তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, কে এই যুবনেতা এবং কেমন ছিল তার অতীত রাজনৈতিক পথচলা?
​তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক দূরদর্শী নেতৃত্ব
​অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় স্কুল জীবন থেকেই। তিনি সাবেক স্কুল কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েই জড়িয়ে পড়েন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে। মেধা ও রাজপথের সক্রিয়তার কারণে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
​বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের কেন্দ্রীয় সদস্য, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সর্বশেষ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন।
​বিগত ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের সম্মুখসারির যোদ্ধা
​বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারির যোদ্ধা ছিলেন অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ। শত জুলুম, মামলা-হামলা ও জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে রাজপথে সর্বদা সক্রিয় ছিলেন তিনি। দলের প্রতি তার এই অবিচল আনুগত্য ও ত্যাগের মূল্যায়ন হিসেবেই যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাকে এই শীর্ষস্থানীয় পদ দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
​২০২৬ সালের নির্বাচনে ভোলায় সফল সাংগঠনিক মিশন
​সবশেষ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে তিনি যুবদলের পক্ষ থেকে ভোলা জেলার বিশেষ সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন। তার দক্ষ তদারকি ও কৌশলী নেতৃত্বের সুবাদে ভোলার চারটি আসনেই বিএনপি বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয়, যা দলীয় রাজনীতিতে তার সাংগঠনিক সক্ষমতাকে আরও একবার প্রমাণ করে।
​তারেক রহমান ও যুবদল নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা
​গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ার পর অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন। একই সাথে তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও যুবদলের বর্তমান গতিশীল নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
​তিনি ধন্যবাদ জানান:
​দেশনায়ক তারেক রহমান-কে (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা)
​আব্দুল মোনায়েম মুন্না-কে (সভাপতি, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি)
​নুরুল ইসলাম নয়ন-কে (সাধারণ সম্পাদক, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি)
​ভবিষ্যৎ প্রত্যয় ব্যক্ত করে অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম সোহাগ বলেন,
​”আমার ওপর অর্পিত পবিত্র দায়িত্ব যেন আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে সঠিকভাবে পালন করতে পারি, আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে সেই পথ দেখিয়ে দেন। দেশনায়ক তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে আমি রাজপথে সর্বদা প্রস্তুত থাকব।”
​ত্যাগী ও পরীক্ষিত এই নেতা যুবদলের ৩নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দলীয় নেতা-কর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *