বাবা হারা এতিম শিশুদের পাশে চরফ্যাশনের কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার প্রিন্স হোসেন
রাকিব মাহমুদ রিজভী, চরফ্যাশন:
ভোলার চরফ্যাশনের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার প্রিন্স হোসেন আবারও এক অনন্য মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। চরফ্যাশন উপজেলার কলমী ইউনিয়নের এক অসহায়, বাবা হারা পরিবারে পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলমী ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহাবুল কিছুদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট (ইলেকট্রিক শক) হয়ে আকস্মিক মৃত্যুবরণ করেন। উপার্জনক্ষম বাবাকে হারিয়ে তার কন্যাসন্তানেরা চরম অসহায় ও অর্থকষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছিল। বিষয়টি ঢাকা পল্লবী থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ হোসেনের মাধ্যমে জানতে পারেন ইঞ্জিনিয়ার প্রিন্স হোসেন।
মেয়েটির বাবার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর শুনে তাৎক্ষণিকভাবে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং অসহায় পরিবারটির জন্য আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি।
ইঞ্জিনিয়ার প্রিন্স হোসেনের পাঠানো এই আর্থিক অনুদানটি অসহায় পরিবারের হাতে পৌঁছে দেন ঢাকা মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রুবেল, ছাত্রনেতা রাকিব মাহমুদ রিজভী, পল্লবী থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ এবং কলমী ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন।
এ বিষয়ে ছাত্রনেতা মো. রুবেল বলেন, “প্রিন্স ভাই সবসময়ই সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। তিনি শুধু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান না, বরং চরফ্যাশনের অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন। বিপদে-আপদে তাকে সবসময়ই পাশে পাওয়া যায়।”
নিজের এই মানবিক উদ্যোগ সম্পর্কে ইঞ্জিনিয়ার প্রিন্স হোসেন বলেন, “আমি দেওয়ার কেউ না। মহান আল্লাহ হয়তো আমাকে এসব দিয়েছেন তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য, তাই তাদের প্রাপ্য আমি শুধু বুঝিয়ে দিয়েছি। আমি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। আল্লাহ যদি আমাকে সুযোগ ও তৌফিক দেন, তবে ভবিষ্যতেও এই সেবামূলক কাজ আমি অব্যাহত রাখব।”
এলাকার সাধারণ মানুষ ইঞ্জিনিয়ার প্রিন্স হোসেনের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বাবা হারা এতিম শিশুদের পাশে -প্রিন্স হোসেন।






