নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারেও। সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবহন খরচসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধের আগে বনাম বর্তমান দাম (প্রতি ব্যারেল)
ব্রেন্ট ক্রুড (Brent):
যুদ্ধ শুরুর আগে প্রায় ৭১ ডলার থাকলেও বর্তমানে বেড়ে হয়েছে প্রায় ৯০.৩৮ ডলার।
বৃদ্ধি: ১৯.৩৮ ডলার
ডব্লিউটিআই (WTI):
আগে ছিল প্রায় ৬৬ ডলার, যা এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৩.৮৫ ডলার।
বৃদ্ধি: ১৭.৮৫ ডলার
কেন বাড়ছে তেলের দাম?
বিশ্লেষকদের মতে,
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক সংঘাতের পর থেকেই বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে।
ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি
এপ্রিল মাসে কিছুটা স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত মিললেও, যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় এখনও তেলের দাম প্রায় ২৭-২৮% বেশি রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশে এর প্রভাব আরও বেশি পড়ছে।
বাংলাদেশে প্রভাব
বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে
পরিবহন খরচ বাড়ছে
পণ্যের বাজারে মূল্যস্ফীতি দেখা দিচ্ছে
সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমানো না যায়, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে চাপ আরও বাড়তে পারে।
যুদ্ধ শুরুর আগে বনাম বর্তমান তেলের দাম (প্রতি ব্যারেল)






