দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তীব্র আলোচনার ঝড়, ঠিক তখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত এক পোস্ট দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ।
তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে বলেন —
“সতেরো বছরে যারা একটি তালা খোলার সাহস দেখাতে পারেনি, তারাই গণঅভ্যুত্থানের পর আজ নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে, দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, আর আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের আবার রাজনীতি করার সুযোগ করে দিতে চায়।”
আকরাম আহমেদ আরও লিখেন —
“এরা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন একটি দল—যারা নিজেদের স্বার্থে ও সুবিধার জন্য শুধু খোলস বদলায়, সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন বা সংগ্রামের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আজ তারা ধর্ম ও ইসলামকে পুঁজি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, ফায়দা নিতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন, তারা আর সহজে বোকা হবে না।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন,
“বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করতে শিখেছে, রক্ত দিতে শিখেছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত তাদের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে এই জাতি অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানে, মাথা নত করতে জানে না।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আকরাম আহমেদের এই বক্তব্য বর্তমান সময়ে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, সম্প্রতি কিছু রাজনৈতিক সংগঠন নির্বাচন না করে “গণভোটের” প্রস্তাব তুলেছে, যা বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
তাদের মতে, এ ধরনের প্রস্তাব মূলত নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করার এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরির একটি কৌশল।






