নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যেকোনো সময় প্রকাশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি। এই কমিটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন ও নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং নানা সমীকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত মুখ এবং রাজপথের সামনের সারির লড়াকু সৈনিকরাই এবার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে আসছেন বলে জোরালো গুঞ্জন রয়েছে।
কমিটির শীর্ষ পদ তথা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তাদের রাজনৈতিক অবদান ও তৎপরতা নেতাকর্মীদের মুখে মুখে ফিরছে।
সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষে যারা
সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ। দলের বিগত দিনের কঠিন সময়ে দমন-পীড়নের মুখেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন এবং একাধিক হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতা হিসেবে তার একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে।
এছাড়া সভাপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গোলাম মাওলা গোলাম। সাম্প্রতিক জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি সামনের সারিতে থেকে সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদল সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ ছিল বলে দাবি নেতাকর্মীদের।
এই দুই নেতার পাশাপাশি সভাপতি পদে আরও দুই হেভিওয়েট নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। তারা হলেন—মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন আহমেদ এবং ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কাজী শাওন আলম। তারাও বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে সরব ভূমিকা পালন করায় আলোচনায় রয়েছেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা
সাধারণ সম্পাদক পদটি ঘিরে একাধিক নেতার নাম জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সম্পাদক (সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী) এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন সোহেল। জুলাই আন্দোলনের সামনের সারির এই যোদ্ধা আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তৃণমূলের একটি বড় অংশের দাবি, তার বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদল অত্যন্ত সুসংগঠিত হয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক পদে জোরালো আলোচনায় আরও রয়েছেন ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাবেক ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার মাহমুদ রাফি। বিগত দিনে রাজপথের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় ও সাহসী ভূমিকা নেতাকর্মীদের নজর কেড়েছে, ফলে তাঁকেও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান তরুণ অনুসারীরা।
তৃণমূলের প্রত্যাশা
ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাধারণ কর্মীরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় সংসদ সবদিক বিবেচনা করে এমন একটি নেতৃত্ব উপহার দেবে—যারা বিগত দিনে জেল-জুলুম ও রাজপথের লড়াইয়ে আপসহীন ছিলেন। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার সঠিক সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি আগামী দিনে মহানগর ছাত্রদলের রাজনীতিতে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সবার।
যেকোনো সময় কমিটি:কারা আসছে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নেতৃত্বে?






