অনলাইন ডেস্ক ||
ভয়াবহ বন্যা ও ঝড়ো হাওয়ার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ভোলার উপকূলীয় উপজেলা চরফ্যাশন ও মনপুরা। আকস্মিক এই দুর্যোগে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। ঝড়ো বাতাসের তীব্রতায় শত শত মানুষের ঘর-বাড়ি, দোকানপাট এবং গাছপালা উপড়ে গেছে। নদীবেষ্টিত ও নিম্নাঞ্চল হওয়ায় চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বিশেষ করে চর কুকরী-মুকরী, সিকদারের চর এবং মনপুরাসহ বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা এখন চরম বিপদসীমার মধ্যে রয়েছে। জোয়ারের পানি ও তীব্র বাতাসে প্লাবিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। অনেকের মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও কেড়ে নিয়েছে এই দুর্যোগ।
ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ এমপি নয়নের
এদিকে চরফ্যাশন ও মনপুরার এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন। দুর্গত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে দ্রুত মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে এমপি নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন:
”চরফ্যাশন ও মনপুরার মানুষ অত্যন্ত কষ্টকর ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। অনেকের ঘর-বাড়ি, দোকান ও শেষ সম্বলটুকু ঝড়ে উড়ে গেছে। এই দুর্যোগ মুহূর্তে আমাদের ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই। আমি দলীয় সকল নেতাকর্মীকে নির্দেশ দিচ্ছি, আপনারা অবিলম্বে বানভাসি ও ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং সাধ্যমতো সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে তাদের পাশে থাকুন।”
ঝুঁকিতে দ্বীপ ও চরাঞ্চল
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চর কুকরী-মুকরী, মনপুরা ও সিকদারের চরের বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের তীব্র সংকট।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী দলগুলো ইতিমধ্যে উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরিস্থিতির ভয়াবহতার কারণে তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সরকারি ত্রাণ সহায়তা ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার পৌঁছানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
চরফ্যাশন-মনপুরায় বন্যা ও ঝড়ের তাণ্ডব: লণ্ডভণ্ড জনপদ, পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান এমপি নয়নের






