Home / রাজনীতি / স্বৈরাচারের দোসরের দখলে ফার্মেসি কাউন্সিল! সচিব মাহবুবের অপসারণ চান ফার্মাসিস্টরা

স্বৈরাচারের দোসরের দখলে ফার্মেসি কাউন্সিল! সচিব মাহবুবের অপসারণ চান ফার্মাসিস্টরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
ফ্যাদিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কিভাবে স্বৈরাচারের দোসর এখনো ফার্মেসি কাউন্সিলের মতো মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সচিব পদে অধিষ্ঠিত? ফার্মেসি কাউন্সিল থেকে স্বৈরাচারের দোসর মাহবুব হকের অপসারণ চায় বাংলাদেশের ফার্মাসিস্ট সমাজ

ফার্মেসি কাউন্সিলের বর্তমান সচিব মাহবুব হক একজন চিহ্নিত ফ্যাসিবাদের দোসর। তার বিগত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এটাই নির্দেশ করে সে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের একনিষ্ঠ সমর্থক। বিগত সময়ে কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে বিনা ভোট,রাতের ভোট আর আমি ডামি নির্বাচনের সাবেক এমপি নাজমুল হাসান পাপনের একজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি এই মাহবুব হক। বিগত সময়ে সে ফার্মেসি কাউন্সিলকে নিজের ইচ্ছাধীন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিলো এবং বর্তমান ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে কর্মরত। সূত্রমতে তার স্ত্রী এবং সন্তানরা বর্তমানে কানাডা প্রবাসী। কানাডার মতো দেশে বৈধ কোনো আয়ের উৎস না থাকার পরও একজন সরকারি কর্মকর্তার পরিবার কিভাবে সেখানে জীবনধারণ করতে পারে? এ বিষয়টি সরকারি তদন্তের দাবি রাখে।

ফার্মেসি কাউন্সিলের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তির শু

ধু আইনগত নয়, নৈতিকভাবেও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। যদি কোনো কর্মকর্তার রাজনৈতিক পক্ষপাত, অতীত ভূমিকা বা আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও বিতর্ক থেকে থাকে, তবে সেসব বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ফ্যাসীবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশে আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে আহ্বান জানাই এরকম একজন ব্যক্তিকে ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব পদে রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু এবং তার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ রয়েছে এই ব্যাপারে চুলচেরা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রত্যাশা হলো রাষ্ট্রীয় ও পেশাগত প্রতিষ্ঠানগুলো হবে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনগণের আস্থার প্রতীক। তাই ফার্মেসি কাউন্সিলের মতো মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সমর্থক মাহবুব হকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সকল অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সাপেক্ষে তাকে ফার্মেসি কাউন্সিল থেকে অপসারণ করা হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *