রাকিব মাহমুদ,চরফ্যাশন প্রতিনিধি:
ভোলার চরফ্যাশন পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ডে এক লম্পট কর্তৃক ১৩ বছরের এক কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ৫ মাসের অন্তসত্ত্বা হওয়ার চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ রফিক (৫৫)-কে গণধোলাই থেকে রক্ষা করে থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধর্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখে। বর্তমানে ভুক্তভোগী কিশোরী চরফ্যাশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনা ও স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ:
পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ডের কাইমুদ্দিন মোড়ের উত্তর পাশে প্রভাষক ইকবাল স্যারের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন লম্পট মোহাম্মদ রফিক (৫৫), পিতা- মৃত আলম মেকার। একই বাড়িতে থাকা মুন্নি (১৩, ছদ্মনাম) নামের এক কিশোরীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে রফিক দীর্ঘদিন ধরে একাধিকবার ধর্ষণ করে আসছিল।
সম্প্রতি মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে পরিবারের সন্দেহ হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে চিকিৎসকের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, কিশোরীটি বর্তমানে ৫ মাসের গর্ভবতী।
অবরুদ্ধ ও পুলিশি উদ্ধার:
ধর্ষণের এই নির্মম ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে লম্পট রফিকের বাসা ঘেরাও করে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।
খবর পেয়ে চরফ্যাশন থানা পুলিশের একটি চৌকস দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে রফিককে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
বর্তমান অবস্থা ও এলাকাবাসীর দাবি:
অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে এই জঘন্যতম ঘটনায় চরফ্যাশন পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ডের আপামর জনগণ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসীর স্পষ্ট দাবি— টাকার জোরে বা কোনো প্রভাব খাটিয়ে যেন এই পাশবিক অপরাধী পার না পেয়ে যায়। লম্পট রফিকের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক আইনগত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া ও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অপরাধীকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
চরফ্যাশনে ১৩ বছরের কিশোরীকে একাধিক বার ধর্ষণ।






