চরফ্যাশন উপজেলার ১৫ নম্বর নজরুল নগর ইউনিয়ন পরিষদে জেলে কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ নিয়ে স্পষ্টীকরণ দিয়েছেন প্যানেল চেয়ারম্যান সজীব শাহরিয়ার। তিনি জানিয়েছেন, সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা ও অগ্রাধিকার তালিকার ভিত্তিতেই এই চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
প্যানেল চেয়ারম্যান সজীব শাহরিয়ার বলেন, প্রকৃত জেলে শনাক্তকরণ এবং তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় রেখে একটি অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে অসচ্ছল ও প্রকৃত জেলেদের আগে চাল দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অনেক সময় অভিযোগ ওঠে যে সবাই সমানভাবে চাল পাচ্ছে না, তবে বাস্তবে যাদের প্রয়োজন বেশি তাদেরই আগে সহায়তা দেওয়াই মূল লক্ষ্য।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলে কার্ডধারীদের যাচাই-বাছাই করে তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। এই তালিকায় যেসব জেলে দীর্ঘদিন ধরে মাছ ধরার সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং যাদের বিকল্প আয়ের উৎস নেই, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও তিনি বলেন, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। কেউ যদি কোনো অনিয়ম বা বঞ্চনার শিকার হন, তাহলে তা ইউনিয়ন পরিষদে জানালে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাল বিতরণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে সাধারণ জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে কিছু এলাকায় আরও সঠিক তদারকি এবং ন্যায্য বণ্টনের দাবি জানিয়েছেন অনেকে।
প্যানেল চেয়ারম্যান সজীব শাহরিয়ার সকল জেলেদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সরকারি নির্দেশনা মেনেই আমরা কাজ করছি। প্রকৃত জেলেরা যেন তাদের প্রাপ্য সহায়তা পান, সেটিই আমাদের প্রধান
কিসের ভিত্তিতে বিতরণ করা হচ্ছে জেলেদের চাল? জানালেন প্যানেল চেয়ারম্যান -সজীব শাহরিয়ার।






