ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মানহানি ও অপপ্রচার বন্ধে চরফ্যাশন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি একটি ফেসবুক আইডি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ফাতেমা মতিন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষকে নিয়ে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু বক্তব্য প্রচার করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এসব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর। এর মাধ্যমে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অধ্যক্ষের সম্মানহানি করার চেষ্টা করছে। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনার প্রেক্ষিতে চরফ্যাশন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জিডিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া কারও বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়ানো একটি গুরুতর অপরাধ। এতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তাই এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
ফাতেমা মতিন মহাবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ফাতেমা মতিন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার: চরফ্যাশন থানায় জিডি।






