Home / রাজনীতি / দুর্দিনে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন সোহেল, মূল্যায়নের দাবিদার ত্যাগীরাই সাবেক পৌর ছাত্রদল নেতা আল আমিন

দুর্দিনে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন সোহেল, মূল্যায়নের দাবিদার ত্যাগীরাই সাবেক পৌর ছাত্রদল নেতা আল আমিন

দুর্দিনে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন খাইরুল ইসলাম সোহেল, মূল্যায়নের দাবিদার ত্যাগীরাই সাবেক পৌর ছাত্রদল নেতা আল আমিন

চরফ্যাশন প্রতিনিধি:

চরফ্যাশন পৌর ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন তার ফেজবুক পোস্টে লিখেন, খাইরুল ইসলাম সোহেল এমন একজন নেতা, যার নামের সঙ্গে গত ১৭ বছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, নির্যাতন এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

আবেগঘন সেই স্টাটাসে তিনি বলেন, “অসংখ্য নির্যাতন, নিপীড়ন ও স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেও খাইরুল ইসলাম সোহেল কখনোই দলের নেতাকর্মীদের ছেড়ে যাননি। বরং প্রতিটি সংকটে তিনি কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আর্থিক সহযোগিতা, মানসিক সাহস এবং সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে তিনি সব সময় নেতাকর্মীদের মনোবল অটুট রাখার চেষ্টা করেছেন।”

আল আমিন আরও বলেন, “বিএনপির দুর্দিনে অনেকেই কর্মীদের নিরুৎসাহিত করতেন। এমনও বলা হতো, ‘বিএনপি আর কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না, নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করো না।’ অথচ আজ তারাই সামনের সারিতে অবস্থান করছেন। কিন্তু সোহেল ভাই সব সময় নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করতেন—‘ধৈর্য ধরো, অপেক্ষা করো। খুব শিগগিরই বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। দলের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাও।’ তাঁর এই কথাগুলোই অসংখ্য নেতাকর্মীর সাহস ও প্রেরণার উৎস ছিল।”

তিনি বলেন, “চরফ্যাশনের রাজনীতিতে প্রায়ই শোনা যায়, ‘সোহেল ভাইয়ের কর্মী অনেক বেশি।’ এর কারণও স্পষ্ট। দুর্দিনে যিনি কর্মীদের পাশে থাকেন, তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেন এবং বিপদে সাহস জোগান, কর্মীরা স্বাভাবিকভাবেই তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আস্থাবোধ থেকে পাশে থাকবেন। এতে অবাক হওয়ার বা ঈর্ষান্বিত হওয়ার কিছু নেই।”

পোস্টের শেষাংশে আল আমিন বলেন, “জননেতা তারেক রহমান বারবার বলেছেন, দলের দুর্দিনে যারা জেল-জুলুম, হামলা-মামলা ও নির্যাতন উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন এবং দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। একইভাবে আমাদের নেতা জনাব নুরুল ইসলাম নয়ন ভাইও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের বিষয়ে সব সময় সোচ্চার।”

তিনি বলেন, “ইতিহাস সাক্ষী—দুর্দিনের পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হন, প্রকৃত মূল্যায়নের দাবিদার তারাই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *