বাংলাদেশের ফার্মেসি শিক্ষার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব হওয়ার যোগ্যতার মাপকাঠি কি শিক্ষাগত যোগ্যতা নাকি রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রয়োগ? বাংলাদেশের ফার্মাসিস্ট সমাজ জানতে চায়।
বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের বর্তমান সচিব মাহবুব হক বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময় তার সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ক্ষমতার ব্যবহার করেন। একজন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেতে যে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয় তিনি সেই মাপকাঠিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের এমপি নাজমুল হাসান পাপনের ক্ষমতা ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই সহকারী সচিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সচিব হন। সূত্রমতে তিনি সচিব হিসেবে নিয়োগ পেতে নূন্যতম কোনো থিসিস বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেননি। কানাডার একটি ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে তিনি ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন তার রাজনৈতিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে। এছাড়াও তিনি তার ব্যাচেলর ডিগ্রি অতিরিক্ত সময়ে শেষ করেছেন বলে জানা যায়। এমন একজন ব্যক্তি কিভাবে বাংলাদেশের ফার্মেসি শিক্ষার নীতিনির্ধারণী সংস্থা বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব হিসেবে দায়িত্বে থাকতে পারেন? বাংলাদেশের ফার্মাসিস্ট সমাজ জানতে চায়, বাংলাদেশের ফার্মেসি শিক্ষার নীতিনির্ধারণী সংস্থার সচিব হিসেবে নিয়োগ পেতে কি আদৌ শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন হয় নাকি রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে দায়িত্ব পালন করা যায়? গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে যখন জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিয়েছে সেখানে বিগত ফ্যাসিবাদের দোসর এই মাহবুব হক এখনও কিভাবে নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করছেন এই বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের।
সরকারি তদন্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের ফার্মাসিস্ট সমাজ সচিব মাহবুব হকের অপসারণ চান এবং এমন একজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের ফার্মেসি শিক্ষার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থার সচিব হিসেবে দায়িত্বে বহাল দেখতে চায় না বলে জানা গেছে।







