Home / রাজনীতি / শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা:বেরোবির সাবেক ভিসি ড.হাসিবুর রশীদ মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার

শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা:বেরোবির সাবেক ভিসি ড.হাসিবুর রশীদ মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক | ঢাকা
প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬
​২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ড. মো. হাসিবুর রশীদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
​আজ শনিবার (১৬ মে) মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
​পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদ হত্যা ও মামলা

​২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশের বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়ে নির্মমভাবে গুলিতে নিহত হন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। সেই সময়কার নির্মম গণহত্যার এই দৃশ্যটি বিশ্বজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনকে বেগবান করে তোলে।
​পরবর্তীতে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর শহীদ আবু সাঈদের পরিবার এবং আদালতের নির্দেশে পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করে। এসব মামলায় তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা, পুলিশ কর্মকর্তা এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি, প্রক্টরসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়।
​বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা ও অভিযোগ
​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের নৃশংস হামলার পেছনে তৎকালীন ভিসি ও প্রক্টরিয়াল বডির প্রত্যক্ষ মদদ ও নির্দেশ ছিল। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্দোলনকারীদের দমনে পুলিশকে প্ররোচিত করেছিল বলে তদন্তে উঠে আসে।
​মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের বক্তব্য
​মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর আসে যে আবু সাঈদ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় এই আসামি মোহাম্মদপুর এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
​গ্রেপ্তারকৃত সাবেক ভিসিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে রংপুর জেলা পিবিআই (ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *