জেলা প্রতিনিধি: ইফতেখার (আল আমিন)
ভোলার চরফ্যাশনে প্রসূতি জান্নাত (২৫)-এর মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ইকরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. আঁখি আক্তারের বিরুদ্ধে আবারও প্রশ্ন উঠেছে, কারণ এর আগেও তার বিরুদ্ধে অন্তত পাঁচজন প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, গত বুধবার প্রসব বেদনা নিয়ে জান্নাতকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলেও তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত রেফার না করে ক্লিনিকেই চিকিৎসা চালানো হয়। একপর্যায়ে গর্ভের সন্তানসহ তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে ইকরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক নবজাতকের মৃত্যু, ২০২৪ সালে সেন্ট্রাল ইউনাইটেড হাসপাতালে এক প্রসূতির মৃত্যু এবং এর আগে আরও কয়েকটি নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায়ও ডা. আঁখি আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক সময় চিকিৎসক সরাসরি উপস্থিত না থেকে মুঠোফোনে নির্দেশনা দিয়ে ডেলিভারির মতো ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এছাড়া সংকটাপন্ন রোগীদের সময়মতো উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার না করার অভিযোগও রয়েছে।
এ বিষয়ে ডা. আঁখি আক্তারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ভোলার সিভিল সার্জন ডা. মু. মনিরুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






