২০২৬ সালের জুন মাসে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে এই ১৪ দফা সংবলিত সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত ও কার্যকর করা হয়। এই চুক্তির মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
মূল লক্ষ্য: এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশ সব ধরনের সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে এবং চূড়ান্ত একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি: চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ (Naval Blockade) প্রত্যাহার শুরু করবে।
ইরানের প্রতিশ্রুতি: বিনিময়ে ইরান পারমাণবিক কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা এবং আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘স্ট্রেইট অব হরমুজ’ (Strait of Hormuz) বা হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ও মাইনমুক্ত করতে রাজি হয়েছে।
জাতিসংঘের ভূমিকা (১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ): ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, চূড়ান্ত চুক্তিটি অবশ্যই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) একটি বাধ্যতামূলক রেজোলিউশনের মাধ্যমে অনুমোদিত হতে হবে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতা: পুরো কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটি সফল করতে পাকিস্তান সরকার (প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ) প্রধান মধ্যস্থতাকারী (Mediator) হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে, যা দলিলের নিচের স্বাক্ষরটি থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়।
সংক্ষেপে, এটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং দীর্ঘদিনের মার্কিন-ইরান বৈরিতা কাটানোর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক দলিল।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতা যুক্তরাষ্ট্র- ইরানের যুদ্ধ বিরতি চুক্তি স্বাক্ষর।






