যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসছেন আমিনুল হক!
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। বিশেষ করে কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী এ প্রশ্ন এখন ক্রীড়াপ্রেমী ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।
দলীয় ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে যিনি এর সাবেক সফল অধিনায়ক এবং ভোলার কৃতি সন্তান তাকে দেশের পরবর্তী এর দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে ।
কেন আমিনুল হক আলোচনায়?
বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ক্রীড়াকে ‘পেশা ও জীবিকা’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একজন পেশাদার ও অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদকে দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি গত দেড় দশকে রাজনৈতিক অঙ্গনেও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন আমিনুল হক।
ঢাকা–১৬ আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হলেও তার রাজনৈতিক ত্যাগ ও ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানকে উচ্চভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা
নির্বাচনে জয়ী না হলেও তাকে ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে এমন একজনকে দেখতে চান, যিনি মাঠের বাস্তব সমস্যা বোঝেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে সক্ষম।
নতুন আশার প্রতীক ক্রীড়াঙ্গনে
আমিনুল হকের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, দলের হাইকমান্ড থেকে ইতিবাচক সংকেত ইতোমধ্যেই পাওয়া গেছে। তার সমর্থকদের বিশ্বাস—একজন সৎ, নিবেদিতপ্রাণ এবং মাঠের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি দায়িত্ব পেলে দেশের ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাধুলায় নতুন গতি ফিরে আসবে।
এখন দেখার বিষয়, দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এই পরিচিত মুখ সত্যিই কি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাল ধরছেন, নাকি শেষ মুহূর্তে আসবে নতুন কোনো চমক।






